এমাটিডিয়া' (একবচন: 'এমাটিডিয়াম ') আর্থ্রোপোড পর্বের পোকামাকড়, এস. ক্রাস্টাসিয়ান এবং মিলিপিডে এর পুঞ্জাক্ষির গাঠনিক একক । একটি এমাটিডিয়ামে আলো সংগ্রহকারী কোষ এর আস্তরণ থাকে যার চারপাশে সমর্থন কোষ এবং রঙ্গক কোষগুলি থাকে। এমাটিডিয়ামের বাইরের অংশটি স্বচ্ছ কর্নিয়া দিয়ে আবৃত।
2.Historia Animalium গ্রন্থের রচয়িতা কে?
a.ক্যালোলাস লিনিয়াস
b.অ্যারিস্টটল
c.চার্লস ডারউইন
d.হুগো দ্যা ড্রিম
The book Historia Animalium is written by Aristotle.
3.মেসোগ্লিয়া নামক অকোষীর বস্তু কোথায় বিদ্যমান?
a.হাইড্রা
b.আরশোলা
c.কেঁচো
d.সবগুলোতে
মেসোগ্লিয়া (Mesogloea) মেসোগ্লিয়া হলো হাইড্রার এপিডার্মিস ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত জেলীর মতো, স্বচ্ছ, স্থিতিস্থাপক স্তর। মেসোগ্লিয়া স্তরটি দেহ এবং কর্ষিকা উভয় স্থানে ছড়ানো থাকে। তবে কর্ষিকায় সবচেয়ে পাতলা এবং পাদ চাকতিতে সবচেয়ে বেশি পুরু হয়।
4.ম্যালেরিয়া দিক থেকে সর্বোচ্চ ঝুকিঁসম্পন্ন দেশ-
a.মিয়ানমার
b.বাংলাদেশ
c.ভারত
d.ইরাক
ম্যালেরিয়া (ইংরেজি Maaria)হল মানুষ এবং অন্যন্যা প্রাণিদের একটি মশা বাহিত সংক্রামক রোগ যার মূলে রয়েছে প্লাজমোডিয়াম গোএের প্রোটিস্টা( একধরনের অনুজীব ) ইতালিয় শব্দ mal (অর্থ -দূষিত)ও aria ( বায়ু)ম্যালেরিয়া শব্দটি এসেছে। ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম প্লাজমোডিয়াম ভলভক্স।
ম্যালেরিয়া দিক থেকে সর্বোচ্চ ঝুকিঁসম্পন্ন দেশ- মিয়ানমার
5.Mendel-এর প্রথম সূত্রের ব্যতিক্রম কোনটি?
a.এসিস্ট্যাসিস
b.অসম্পূর্ণ প্রকটতা
c.বর্ণান্ধতা
d.পরিপূরক জিন
১১. বিভিন্ন ফিনোটাইপিক অনুপাত: মেন্ডেল - এর প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত = ৩ : ১ মেন্ডেল - এর দ্বিতীয় সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত = ৯ : ৩ : ৩ : ১ অসম্পূর্ণ প্রকটতা এর ফিনোটাইপিক অনুপাত = ১ : ২ : ১ এপিস্ট্যাসিস - এর ফিনোটাইপিক অনুপাত = ১২ : ৩ : ১ পরিপূরক জিন - এর ফিনোটাইপিক অনুপাত = ৯ : ৭
মেন্ডেলের ১ম সূত্রের ব্যতিক্রম সমূহ
মেন্ডেল তার জিনতাত্বিক পরীক্ষার সময় যে সকল বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ করেছিলেন সেগুলো একটি আরেকটির উপর সম্পূর্ণ প্রকট ছিলো এবং বৈশিষ্ট্য গুলো নিয়ন্ত্রণকারী জিন ভিন্ন ভিন্ন লোকাসে অবস্থান করেছিল। কিন্তু স্বাভাবিক এই নিয়মের ব্যতিক্রম হলে জিনতাত্বিক পরীক্ষা আর মেন্ডেলের সূত্রকে মেনে চলে না। তখন মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম দেখা যায়। মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম হলে শুধু ফিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তন হয় কিন্তু জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয় না।
নিম্নে মেন্ডেলের সূত্রের ৩টি ব্যতিক্রম আলোচনা করা হলো-
১। অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete Dominance)
সংজ্ঞা
একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন দুইটি জীবের মধ্যে ক্রস করলে প্যারেন্টের বৈশিষ্ট্যদ্বয়ের কোনােটিই প্রকট বা প্রচ্ছন্ন না হলে ১ম অপত্য বংশে এদের কোনটিই প্রকাশ না পেয়ে উভয় বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণে একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হবে। তবে ১ম ও ২য় অপত্য বংশে জিানােটাইপের কোন পরিবর্তন ঘটবে না।
এরূপ প্যারেন্টের বৈশিষ্ট্যদ্বয়ের কোনােটা প্রকট বা প্রচ্ছন্ন না হলে একে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলা হয়। অসম্পূর্ণ প্রকটতার জন্য দায়ী জিনগুলােকে ইন্টারমিডিয়েট জিন বলে।
এই ক্ষেত্রে, এর ফলে শুধুমাত্র ফিনােটাইপেরই পরিবর্তন ঘটবে। অসম্পূর্ণ প্রকটতাকে ইন্টারমিডিয়েট ইনহেরিট্যান্সও বলা হয়।
ব্যাখ্যা
অসম্পূর্ণ প্রকটতার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলাে গৃহপালিত আন্দালুসিয়ান জাতের মােরগ-মুরগী। কালাে এবং ছােপযুক্ত সাদা পাখির মধ্যে ক্রস করলে F1 অপত্য বংশের পাখি কালাে বা ছােপযুক্ত সাদার কোনটাই না হয়ে সকল পাখি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আন্দালুসিয়ান নীল (blue) রঙের হয়। F1 বংশের এই আন্দালুসিয়ান নীল পাখিদের মধ্যে ক্রসে F2 বংশে কালাে, আন্দালুসিয়ান নীল এবং ছােপযুক্ত সাদা পাখি যথাক্রমে ১ঃ২ঃ১ অনুপাতে পাওয়া যায়।
২। সমপ্রকটতা (Codominance)
সংজ্ঞা
অনেক ক্ষেত্রে হেটারােজাইগাস অবস্থায় কোন অ্যালিল প্রকট না হওয়ার কারণে দুই বা অধিক অ্যালিল সম্পূর্ণ প্রকটতা বা প্রচ্ছন্নতা প্রদর্শন করে না। এ অবস্থায় উভয় অ্যালিল নিয়ন্ত্রিত বৈশিষ্ট্য হেটারােজাইগােটের ফিনােটাইপ সমভাবে প্রকাশিত হয়।
এরূপ জিনকে কোডমিন্যান্ট জিন (Codominat gene) এবং প্রপঞ্চকে সমপ্রকটতা (Codominance) বলা হয়। উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয়ে কোডমিন্যান্স পাওয়া যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হেটারােজাইগােটের ফিনােটাইপ হােমােজাইগাস প্রকট এবং হােমােজাইগাস প্রচ্ছন্নের ইন্টারমিডিয়েট মাঝামাঝি হয়।
ব্যাখ্যা
২। সমপ্রকটতা (Codominance)
সংজ্ঞা
অনেক ক্ষেত্রে হেটারােজাইগাস অবস্থায় কোন অ্যালিল প্রকট না হওয়ার কারণে দুই বা অধিক অ্যালিল সম্পূর্ণ প্রকটতা বা প্রচ্ছন্নতা প্রদর্শন করে না। এ অবস্থায় উভয় অ্যালিল নিয়ন্ত্রিত বৈশিষ্ট্য হেটারােজাইগােটের ফিনােটাইপ সমভাবে প্রকাশিত হয়।
এরূপ জিনকে কোডমিন্যান্ট জিন (Codominat gene) এবং প্রপঞ্চকে সমপ্রকটতা (Codominance) বলা হয়। উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয়ে কোডমিন্যান্স পাওয়া যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হেটারােজাইগােটের ফিনােটাইপ হােমােজাইগাস প্রকট এবং হােমােজাইগাস প্রচ্ছন্নের ইন্টারমিডিয়েট মাঝামাঝি হয়।
ব্যাখ্যা
খাটো শিংওয়ালা জাতের গরুর গাত্রবর্ণ- কোডমিন্যান্সের একটি ক্লাসিক্যাল উদাহরণ হলাে খাটো শিংওয়ালা জাতের গরুর গাত্রবর্ণ। এ জাতের গরুর গাত্রবর্ণ লাল, সাদা ও রােয়ান (roan) হয়ে থাকে।
রােয়ান গরুর নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রতিটি লােম রােয়ান নয়, এদের কিছু লােম সাদা এবং কিছু লােম লাল। এ লাল এবং সাদা রঙের লােমের কম্বিনেসনের সার্বিক ফলাফলে রােয়ান রঙের আবির্ভাব ঘটে। প্রকৃতপক্ষে লাল ও সাদা বর্ণ নির্ধারক অ্যালিলদ্বয় কোডমিন্যান্ট হওয়ার কারণে এদের সংকরায়নে F1 বংশের সকল গরু রােয়ান বর্ণ হয় এবং F2 বংশে ১ঃ২ঃ১ অনুপাতে লাল, রােয়ান এবং সাদা ফিনােটাইপ প্রকাশ পায়।
৩। মারণ জিন বা (Lethal Gene)
সংজ্ঞা
হােমােজাইগাস অবস্থায় কোন জিন জীবের মৃত্যুর কারণ হলে সে জিনকে মারণ জিন বা লিথাল জিন বলে। ফরাসি বংশগতিবিদ কুয়েনাে (Cuenot) লিথাল জিন আবিষ্কারক।
ব্যাখ্যা
দুটি হলুদাভ (yellowish) রঙের ইঁদুরের প্রজননে F1 বংশে ২ঃ১ অনুপাতে যথাক্রমে হলুদাভ এবং হলুদবিহীন রঙের ইঁদুর পাওয়া যায়।
F1 বংশে প্রাপ্ত হলুদাভ দুটি ইদুরের প্রজননে প্রাপ্ত শাবক সংখ্যা, হলুদাভ এবং হলুদবিহীন ইঁদুরের প্রজননে প্রাপ্ত শাবক সংখ্যার তুলনায় প্রায় ১/৪ অংশ কম।ফিনোটাইপিক অনুপাত হয় ২ঃ১। হলুদ রং এর জন্য দায়ী জিন হােমাজাইগাস অবস্থায় থাকলে সে জাইগােট বেঁচে থাকতে পারে না এবং জন্মের পূর্বেই মারা যায়।
6.Plasmodium vivax মানুষের শরীরে প্রবেশের পর জ্বর আসে-
a.৪৮ ঘন্টা পর
b.৩৬-৪৮ ঘন্টা পর
c.৭২ ঘন্টা পর
d.৬০ ঘন্টা পর
৪৮ ঘণ্টা পর পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা Plasmodium vivax দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়ার প্রধান লক্ষণ।
7.নিচের কোনটি অমিল?
a.অ্যালভিওলাই-ট্র্যাবেকিউলি
b.যকৃত-বোম্যানস্-কাপস্যুল
c.ক্ষুদ্রাঙ্গ-ভিলাই
d.পাকস্থলী-রুগী
উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষে একটি ক্ষুদ্রাঙ্গ আছে, যাকে শক্তি ঘর (Power house of cell) বলা হয়।
ক্ষুদ্রান্তে অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মত প্রবর্ধক বা অভিক্ষেপ থাকে, এদের ভিলাই বলে।
8.ইলেট অব লেঙ্গারহেন্স-কার কলাস্থানিক বৈশিষ্ট্য?
a.ক্ষুদ্রান্ত্র
b.যকৃত
c.অগ্ন্যাশয়
d.বৃক্ক
অগ্ন্যাশয় (ইংরেজিঃpancreas)মেরুদন্ডী প্রাণীদের পরিপাক ওঅন্তক্ষরা তন্তের অন্তগর্ত একটি মিশ্র গ্রন্থি, অর্থাৎ এর মধ্যে অন্তক্ষরা ও ববহিঃক্ষরা দুইরকম গ্রন্থিই আছে।
অগ্ন্যাশয়ের কাজঃইনসুলিন ও গ্লুকাগন নামের গুরুত্বপূর্ণ হরমোন তৈরি করা। ইনসুলিন দেহের বেড়ে যাওয়া গ্লুকোজের মাত্রা কমায় আর গ্লুকাগন দেহের কমে যাওয়া গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।
9.অ্যারোমেটিক অ্যামাইনো এসিড কোনটি?
a.গ্লাইসিন
b.লাইসিন
c.ফিনাইল এলানিন
d.সিরিন
মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড হল ফিনাইল এলানিন। যে সকল অ্যামাইনো এসিড দেহের অভ্যন্তরে তৈরি হয় না কিন্তু প্রোটিন তৈরির জন্য অপরিহার্য তাদেরকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড বলে। অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড 9টি। যেমন: লাইসিন, লিউসিন, আইসো - লিউসিন, মিথিওনিন, ভ্যালিন, ফ্রিওনিন, ট্রিপটোফেন, ফিনাইল এলানিন, হিসটিডিন।
10.পাতার যে কোষে সালোক-সংশ্লেষণ ঘটে-
a.প্যারেনকাইমা
b.কোলেনকাইমা
c.প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
d.কোনটিই নয়
প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ S অংশ (পত্ররন্ধ্র) দ্বারা বাষ্পাকারে পানি নির্গত করে। সাধারণত পাতার নিম্নত্বকে S অংশ (পত্ররন্ধ্র) অবস্থান করে। বিষমপৃষ্ঠ পাতার ওপরের ত্বকের দিকে থাকে প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং নিচের ত্বকের দিকে থাকে স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা। পাতার প্যালিসেড কোষগুলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
11.হরলিকস্ পাউডার বাতাসে রাখলে যে প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে পানি শোষণ করে-
a.ইমবাইবিশন
b.ব্যাপন
c.অভিস্রবণ
d.গাটেশন
ইমবাইবিশন বলতে কলয়েড জাতীয় শুষ্ক বা আংশিক শুষ্ক পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এক খন্ড শুকনা কাঠের এক প্রান্ত পানিতে ডুবালে ঐ কাঠের খন্ডটি কিছু পানি টেনে নেবে৷ আমরা জানি, কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা পদার্থ তরল পদার্থ শুষে নেয়। এ জন্য কাঠের খন্ডটি পানি শুষে নিয়েছে৷ এটাই হলো ইমবাইবিশন প্রক্রিয়া। সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন ইত্যাদি হাইড্রোফিলিক বা পানিপ্রিয় পদার্থ৷ এরা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা শুষে নেয় আবার তরল পদার্থের অভাবে সংকুচিত হয়।
একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিক ঘন স্থান থেকে কম ঘন স্থানে সমভাবে ছড়িয়ে পড়া বা বিস্তার লাভ করার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
অভিস্রবণ বলতে দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পাশাপাশি আলাদা করে রাখলে পর্দা ভেদ করে কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। দুটো দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। অভিস্রবন এক প্রকার ব্যাপন। অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।
12.নিচের কোনটি ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ নয়?
a.আমাশয়
b.কলেরা
c.পোলিও
d.যক্ষ্মা
পোলিওমাইলিটিজ (/poʊlioʊmaɪəlaɪtɪs/) এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। সচরাচর এটি পোলিও নামেই সর্বাধিক পরিচিত।
13.র্যাফ্লেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম ফুল কোন দেশে পাওয়া যায়?
a.আফ্রিকা
b.অস্ট্রেলিয়া
c.ভারত
d.ইন্দোনেশিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল হয় এদেরই। র্যাফলেশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুলের দেখা মেলে ইন্দোনেশিয়ার জঙ্গলে। ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপ ছাড়া স্থানীয়ভাবে এটি পূর্ব এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইন ফরেস্টে, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনে পাওয়া যায়।
14.নটি বহুকোষী উদ্ভিদের উদাহরণ নয়?
a.Volvox
b.Sargassum
c.Spirogyra
d.Polysiphonia
Volvox একটি colonial শৈবাল; বাকীরা বহুকোষী শৈবাল।
15.নিচের কোনটি ব্যাক্টেরিয়ার বংশগতি সম্পর্কীয় ?
a.Conjugation
b.Transformation
c.Transduction
d.কোনটিই নয়
পৃথিবীর অধিকাংশ জায়গায়, যেখানে আবাসস্থল আছে সেখানে ব্যাকটেরিয়া বিদ্যমান রয়েছে।
ব্যাকটেরিয়া মাটি, পানি ,বর্জ্য এবং ভূত্বকের গভীরে বাস করে। বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়া এখনো আবিষ্কার হয়নি। মাত্র ২৭ শতাংশ আবিষ্কৃত হয়েছে।
16.Viviparous শব্দটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
a.ফুল ফুটাতে
b.ফল পাকাতে
c.অঙ্কুরোদগমে
d.নিষিক্তকরণে
অঙ্কুর অবস্থায় শুধু প্রধান মূলটি বীজ থেকে বেড়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এভাবে অঙ্কুরিত মুলের ভারে এক সময় ছিঁড়ে পড়ে নিচের নরম কাদামাটিতে মূলটি খাড়া ভাবে ঢুকে আটকে যায় এবং শীর্ষমুকুল চারায় পরিনত হয়। একেই 'জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম' বা viviparous germination বলে। অর্থাৎ বীজ গাছে থাকা অবস্থায় অঙ্কুরিত হয়ে চারায় পরিনত হয়।
17.লুন্ডিগার্ডের সক্রিয় আয়ন শোষণ মতানুসারে নিচের কোন আয়ন পরিশোষিত হয়?
a.অ্যানায়ন
b.ক্যাটায়ন
c.অ্যানায়ন ও ক্যাটায়ন
d.সব কয়টি
অ্যানায়নে প্রোটনের চেয়ে ইলেক্ট্রন বেশি থাকে। এর আধান ঋণাত্মক।
সাধারণত সব পরমানুর আধানই নিরপেক্ষ।
18.জেরোফাইটিক শব্দটি সম্পর্কিত-
a.জলজ
b.মরুজ
c.বনজ
d.সরুজ
যে সব উদ্ভিদ শুষ্ক ( অর্থাৎ যেখানে জলের পরিমাণ খুব কম) পরিবচেশ জন্মায় তাদের জাঙ্গল উদ্ভিদ বা জেরোফাইট বলে। মরুভূমি অঞ্চলের উদ্ভিদের সাধারণত জাঙ্গল উদ্ভিদ বলা হয়।
জঙ্গল উদ্ভিদের উদাহরণ
ফণিমনসা, বাবলা ইত্যাদি
19.নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাক্টেরিয়া Clostridiun কোন ধরনের জীব?
a.মিথোজীবী
b.পরজীবী
c.মুক্তজীবী
d.কোনটিই নয়
দুটি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছ থেকে উপকৃত হয়, তখন এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলে। সহাবস্থানরত জীব দুটিকে পরস্পরের মিথোজীবী বলে।
20.কোন উদ্ভিদে অনুবীজের মাধ্যমে প্রজনন হয়?
a.সরিষা
b.পাট
c.ফার্ণ
d.গম
21.লেন্টিকুলার প্রস্বেদন উদ্ভিদের কোন অংশে হয়?
a.মূল
b.পাতা
c.কান্ড
d.ফুল
উদ্ভিদে গৌণ বৃদ্ধি হলে কাণ্ডের বাকল ফেটে লেন্টিসেল নামক ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেলের ভেতরের কোষগুলো আলাদাভাবে সজ্জিত থাকে এবং এর মাধ্যমে কিছু পানি বাইরে বেরিয়ে যায়। একে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে।
22.উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ায় শর্করা উৎপাদন করে?
a.শ্বসন
b.প্রস্বেদন
c.অভিস্রবণ
d.সালোক সংশ্লেষণ
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ তার জালেম কোষ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশের বায়ুমণ্ডল থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন (O₂)প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
23.কোন উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে?
a.ধান
b.আম
c.শিম
d.সরিষা
কোন ফুলের পরাগরেণু সেই একই ফুলের অথবা সেই একই উদ্ভিদের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হলে তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। উদাহরণ- সরিষা,ধুতুরা,সন্ধ্যামালতী, শিম, টমেটো ইত্যাদি।
24.খাদ্য-র্শঙ্খলে কোনটি তৃতীয় স্তরের খাদক?
a.গরু
b.কীটপতঙ্গ
c.ব্যাঙ
d.পাখি
দ্বিতীয় স্তরের খাদকদেরকে যারা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদেরকে তৃতীয় স্তরের খাদক বলা হয়। তৃতীয় স্তরের খাদক হিসেবে বাজপাখি, পাখি, শকুন, হাঙ্গর, কুমির, বাঘ, সিংহ প্রভৃতি প্রাণির নাম উল্লেখযোগ্য। অনেক সময় কোনো কোনো প্রাণি একাধিক স্তরের খাদক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
25.পাতার স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা স্তরে উদ্ভিদ কোন বস্তু গ্রহণ করে?
a.খনিজ লবণ
b.পানি
c.নাইট্রোজেন
d.কার্বন ডাই-অক্সাইড
স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা কোষসমূহের বহিঃপৃষ্ঠ সালোকসংশ্লেষণের প্রয়োজনীয় কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের জন্য সব সময় ভেজা থাকে। বায়ুকুঠুরির বাতাস স্পঞ্জি প্যারেনকাইমার পানির সংস্পর্শে এসে পানি বাষ্প গ্রহণ করে এবং পত্ররন্ধ্রের পশ্চাতের বায়ুকুঠুরিতে জমা হয়। বাষ্প পরবর্তী সময়ে খোলা পত্ররন্ধ্র দিয়ে বায়ুমণ্ডলে বের হয়ে আসে।
26.গোলকৃমির কোন অংশ স্ফীত হয়ে সেমিনাল রিসেপ্ট্যাকলে পরিণত হয়?
a.ডিম্বাশয়
b.শুক্রাশয়
c.অন্ত্র
d.ডিম্বনালী
গোলকৃমি (Roundworm) এটি Nematoda পর্বের সদস্যদের সাধারণ নাম হলেও মানুষের অন্ত্রবাসী Ascaris lumbricoides কৃমিকেই বোঝায়। তবে মানুষের গোলকৃমির মধ্যে আছে চাবুককৃমি Trichuris trichura, কুচোকৃমি Enterobius vermicularis, হুককৃমি Ancylostoma duodenale, সুতাকৃমি Strongyloides stercoralis ইত্যাদি। দেখা গেছে, গোলকৃমির প্রকোপ পুষ্টির অভাব, কম ওজন ও কম হিমোগ্লোবিনের সাথে সংশ্লিষ্ট। A. lumbricoides কৃমির সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ ৯২% ও সর্বনিম্ন ২৫% হতে পারে। গোলকৃমির ডিম্বনালী অংশ স্ফীত হয়ে সেমিনাল রিসেপ্ট্যাকলে পরিণত হয় । ডিম উদরস্থ হলেও সংক্রমণ ঘটে। মলের সঙ্গে ডিম নির্গত ও পানিতে পরিবাহিত হয়। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে খোলা পায়খানা থেকেই প্রধানত সংক্রমণ ছড়ায়। এদের ডিম মাটি ও শাকসবজিতে লেগে থাকে। কাঁচা সবজি, পানি ও না-ধোয়া হাত সংক্রমণের উৎস হতে পারে। প্রতিটি স্ত্রী A. lumbricoides প্রতিদিন ২ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্ত ডিম পাড়ে এবং ডিমগুলি মাটিতে কয়েক মাস জীবন্ত থাকে। চাবুক কৃমির লেজের দিক চওড়া ও মাথার দিকের দুই-তৃতীয়াংশ সুতার মতো হওয়ার জন্যই এ নাম। এগুলি ৩০-৫০ মিমি লম্বা, পুরুষ কৃমি স্ত্রী কৃমির চেয়ে সামান্য খাটো। এ জাতের স্ত্রী কৃমি প্রতিদিন ৩০০০-৫০,০০০ ডিম পাড়ে। খাবার বা পানির সঙ্গে ডিম উদরস্থ হলে সংক্রমণ ঘটে।
27.Flora বলা হয় কোনটিকে?
a.উদ্ভিদকুলকে
b.প্রাণীকুলকে
c.পক্ষীকুলকে
d.মৎস্যকুলকে
Flora - কোনো বিশেষ এলাকা বা যুগের সব গাছগাছড়া অথবা উদ্ভিদ সম্পদ।
the plants of a particular area বলতেও একটি বিশেষ এলাকার উদ্ভিদকে বুঝায়
28.কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয় ?
a.শাল
b.গেওয়া
c.কেওড়া
d.সুন্দরী
মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে জল পাওয়া যায় বলে গাছে সারা বছর পাতা থাকে অর্থাৎ গাছগুলি চিরসবুজ হয় । এজন্য এই অরণ্যের অপর এক নাম চিরসবুজ উপকূলীয় বনভূমি । ম্যানগ্রোভ অরণ্যে সুন্দরী , গরান , গেওয়া , হেঁতাল , কেয়া , গােলপাতা প্রভৃতি গাছ বেশি দেখা যায় । শাল, (ইংরেজি: śāl, sakhua or shala tree), (দ্বিপদ নাম:Shorea robusta) ডিপ্টেরোকার্পাসিয়া গোত্রের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। শালের আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল থেকে শুরু করে মায়ানমারেও শাল গাছ জন্মায়। শালের বৃদ্ধি স্বল্প থেকে মাঝারি হারের হয়ে থাকে। এটি ৩০-৩৫ মিটার উচুঁ হতে পারে এবং এর কান্ডের ব্যাস ২-২.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ফাল্গুন মাস ছাড়া এই গা্ছে পাতা সব সময়ই দেখা যায়। মার্চ মাসে এর ফুল ফোটে। হিন্দু ধর্মমতে গাছটি বিষ্ণুর আশীর্বাদপ্রাপ্ত। ভারতীয় প্রাচীন সাহিত্যে শালকে প্রায়ই অশোক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাল কাঠ শক্ত হওয়ায় এর অনেক ব্যবহার রয়েছে।
29.লিপিড, প্রোট্রিন ও পলিমার দিয়ে তৈরি কোষ প্রাচীর কোনটির?
a.শৈবাল
b.ছত্রাক
c.ব্যাকটেরিয়া
d.সপুষ্পক উদ্ভিদ
ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত ছোট আকারের জীব, সাধারণত ০.২ - ৫ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থাৎ এরা আণুবীক্ষণিক (microscopic) । এরা এককোষী জীব, তবে একসাথে অনেকগুলো কলোনি করে বা দল বেঁধে থাকতে পারে । লিপিড, প্রোট্রিন ও পলিমার দিয়ে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর তৈরি। ব্যাকটেরিয়া আদিকেন্দ্রিক (প্রাককেন্দ্রিক = Prokarytic) । কোষে 70s রাইবোজোম থাকে; কোনো ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু থাকে না ।
30.সিএফসি কি ক্ষতি করে?
a.বায়ুর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
b.এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
c.রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা কমায়
d.ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) নামের এই রাসায়নিক ফ্রেয়ন নামে বেশি পরিচিত হয়ে ওঠে। এই রাসায়নিক বাতাসে ছড়িয়ে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। ১৯৮৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সিএফসি গ্যাস উৎপাদন নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এরপরও প্রতিবছর অক্টোবরে অ্যান্টার্কটিকার ওপরে ওজোন স্তরে ক্ষত দেখা যায়।
31.ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কি দিয়ে তৈরি?
a.পেক্টোজ
b.লিগনিন
c.সুবেরিন
d.কাইটিন
কোষ প্রাচীর হল ছত্রাকের একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গঠন এবং এটি প্রধানত গ্লুকান, কাইটিন এবং গ্লাইকোপ্রোটিন দ্বারা গঠিত। কাইটিন হলো বহিঃত্বকের উপর একধরনের গ্লকোজ পলিমার যা অনেক প্রাণীর দেহে আবরন হিসেবে থাকে । আর দেহত্বকের উপর কিউটিন দ্বারা তৈরি যে অভেদ্য রাসায়নিক আবরন থাকে তাকে কিউটিকল বলে । এটি প্রাণীদেহকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে ।
32.মানুষের দেহকোষে যে একই ধরনের ২২ জোড়া ক্রোমোজোম আছে তাদের কি বলে?
a.ক্রোমোনেমা
b.অটোসোম
c.সেক্স-ক্রোমোসোম
d.স্যা্টেলাইট
দেহের জনন কোষকে গ্যামেট বলা হয়। মানুষের দেহকোষে অটোজমের সংখ্যা ৪৪টি বা ২২ জোড়া এবং যৌন বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২টি বা ১ জোড়া এবং জনন কোষে বা শুক্রাণু বা ডিম্বাণুতে অটোজমের সংখ্যা ২২ জোড়া এবং যৌন বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোমের সংখ্যা ১ জোড়া। সেগুলো হলো X এবং Y।
33.পাঁচটি গর্ভপত্র রয়েছে কোন ফুলের স্ত্রী স্তবকে ?
a.বেলী
b.জবা
c.ধুতুরা
d.ডালিয়া
স্ত্রীস্তবক একটি ফুলের সবচেয়ে ভেতরের স্তবক ; এটি (এক বা একাধিক) গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত এবং এটি সাধারণত পরাগ- উৎপাদনকারী প্রজনন অঙ্গ, পুংকেশর যা সম্মিলিতভাবে পুংস্তবক নামে পরিচিত দ্বারা চারপাশ থেকে ঘিরে থাকে ।
34.অপত্যকোষে ক্রোমোজোাম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয় কোন কোষ-বিভাজনে?
a.মাইটোসিস
b.মিয়োসিস
c.অ্যামাইটোসিস
d.অস্বাভাবিক
মিয়োসিস বা মায়োসিস ( ইংরেজি-meiosis) এক বিশেষ ধরনের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যাতে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পরপর দুবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার, ফলে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়।
35.উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক কে ?
a.ডারউইন
b.জোহান মেন্ডেল
c.থিওফ্রাসটাস
d.ক্যারোলাস লিনিয়াস
best ans
বিবর্তনবাদের জনক (চার্লস ডারউইন)
জেনেটিক্সের জনক (জোহান্স মেন্ডেল)
উদ্ভিদবিদ্যার জনক (থিওফ্রাস্টাস)
ট্যাক্সোনমির জনক (ক্যারোলাস লিনিয়াস)
36.একবীজপত্রী উদ্ভিদের ফুলের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
a.ফুল বড়
b.উজ্জ্বল রং
c.ট্রাইমেরাস
d.যকৃত
অধিকাংশ একবীজপত্রী উদ্ভিদ গুল্মজাতীয় ওষুধি, ব্যতিক্রম Arecaceae গোত্র, যেখানে আছে বৃক্ষসম কিছু প্রজাতি (তাল, রয়েল পাম, নারিকেল, খেজুর ইত্যাদি), আর এগুলি সাধারণত শাখাবিহীন, ফুলগুলো উজ্জ্বল রং এর, অগ্রভাগের পাতাগুলি গুচ্ছবদ্ধ যা দ্বিবীজপত্রীতে থাকে না। অথাৎ যেসব উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
37.মূল নেই কোনটির ?
a.মস
b.ফার্ন
c.একবীজি
d.দ্বিবীজিঁ
মসের মূল নেই, তবে মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড এবং কোনো কোনো প্রজাতিতে বহুকোষী স্কেল থাকে।
38.কোন উদ্ভিদ দলের মূল, কান্ড ও পাতা নেই , তবে ক্লোরোফিল আছে?
a.ব্রায়োফাইটা
b.টেরিডোফাইটা
c.শৈবাল
d.ছত্রাক
শৈবালে কখনও সত্যিকার মূল, কান্ড ও পাতা সৃষ্টি হয় না, অর্থাৎ এরা সমাঙ্গদেহী (থ্যালয়েড)। এদের দেহে ভাস্কুলার টিস্যু নেই। এদের জননাঙ্গ সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হলেও তাতে কোনো বন্ধ্যা কোষের আবরণী থাকে না। এদের স্পোরাঞ্জিয়া (রেণুথলি) সর্বদাই এককোষী। ক্লোরোফিল আছে বিধায় এরা দেখতে সবুজ হয়।
39.বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার ?
a.ইনসুলিন
b.থাইরক্সিন
c.এনড্রোজেন
d.এস্টোজেন
রক্ত থেকে দেহের অধিকাংশ কোষে গ্লুকোজ গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ইনসুলিন নামক একটি হরমোন, সুতরাং ইনসুলিনের ঘাটতি বা এর রিসেপ্টারগুলোর অসংবেদনশীলতা সকল ধরনের বহুমূত্ররোগে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
40.মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ হচ্ছে--
a.পা
b.হাত
c.মাথা
d.ত্বক
মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ ত্বক। ত্বক হচ্ছে মেরুদন্ডী প্রাণীর বহিরাঙ্গিক একটি অংশ যা প্রকৃতপক্ষে একটি নরম আবরণ এবং দেহকে আবৃত করে রাখে। এটি প্রাণিদের ভিতরের অংশগুলোকে রক্ষা করে।
41.প্লাস্টিড কোথায় থাক?
a.প্রোটোপ্লাজমে
b.একটোপ্লাজমে
c.অ্যান্ডোপ্লাজমে
d.সাইটোপ্লাজমে
উদ্ভিদ কোষের সবচেয়ে বড় অঙ্গানু যা উদ্ভিদের জন্য খাদ্য প্রস্তত, সঞ্চয় ও পরাগায়নে সাহায্য করে, তাকে প্লাস্টিড বলে। প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে থাকে।
42.গ্রিনহাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?
a.উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
b.বৃষ্টিপাত কমে যাবে
c.নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
d.সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
গ্রীনহাউজের পরিণতিতে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব যে দেশগুলোতে মারাত্বক আকার ধারণ করবে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। পরিবেশবাদী সংস্থা জার্মান ওয়াচের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ৭ম ঝুকিপূর্ন দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২ - ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধিতে তলিয়েযাবে বাংলাদেশের ১৭% নিম্নাঞ্চল আর সেই সাথে ৩কোটি মানুষ হবে ক্লাইমেট রিফিউজি।
43.একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট কতটি হাড় থাকে?
a.২০৬
b.৩০৬
c.৪২৬
d.৫০৬
44.দুটি গর্ভপত্র রয়েছে কোন ফুলের স্ত্রী স্তবকে?
a.বেলি
b.জবা
c.ধুতরা
d.ডালিয়া
ধুতরা ফুলের পাপড়ি সংখ্যা ৫টি। এর গর্ভপ্ত্র সংখ্যা ২টি। এর অমরা স্ফীত এবং মাতৃ-অক্ষের সাথে তীর্যকভাবে যুক্ত থাকে।
45.হৃৎপিন্ডকে আবৃতকারী পর্দার নাম কি?
a.পেরিটোনিয়াম
b.পেরিকার্ডিয়াম
c.প্লুরা
d.যকৃত
হৃৎপিণ্ড একটি পাতলা দ্বিস্তরী আবরণে আবৃত। এর নাম পেরিকার্ডিয়াম (pericardium)।
পেরিকার্ডিয়াম এর বাইরের দিক তন্তুময় পেরিকার্ডিয়াম (fibrious pericardium) এবং এর ভেতরের দিক সেরাস পেরিকার্ডিয়াম (serous pericardium) নামে পরিচিত।
46.ফার্ন উদ্ভিদের ফুলের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
a.ফুল বড়
b.উজ্জ্বল রং
c.ট্রাইমেরাস
d.সুগন্ধযুক্ত
ফার্ন উদ্ভিদ স্পোরোফাইটিক। এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। কাণ্ড শাখাবিহীন রাইজোম জাতীয়।
ফার্নের ফুল ফল বা বীজ হয় না। এটা একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ।
মুকুল পত্র বিন্যাস কুণ্ডলিত।
ফার্ন ( Polypodiopsida বা Polypodiophyta ) হল একদল ভাস্কুলার উদ্ভিদ ( জাইলেম এবং ফ্লোয়েম সহ উদ্ভিদ ) যেগুলো বীজ বা ফুলের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে । ভাস্কুলার হওয়ার কারণে এগুলি শ্যাওলা থেকে আলাদা , যেমন, বিশেষ টিস্যু যা জল এবং পুষ্টি সঞ্চালন করে এবং জীবনচক্র রয়েছে যেখানে শাখাযুক্ত স্পোরোফাইট প্রভাবশালী পর্যায়।
ফার্নে মেগাফিল নামক জটিল পাতা থাকে , যা ক্লাবমোসের মাইক্রোফিলের চেয়ে জটিল । বেশিরভাগ ফার্নই লেপ্টোস্পোরঞ্জিয়েট ফার্ন । এরা কুণ্ডলযুক্ত ফিডলহেড তৈরি করে যা কুণ্ডলী করে এবং ফ্রন্ডে প্রসারিত হয় । এই গোষ্ঠীতে প্রায় 10,560টি পরিচিত বিদ্যমান প্রজাতি রয়েছে। ফার্নগুলিকে এখানে বিস্তৃত অর্থে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, সমস্ত পলিপোডিওপসিডা , লেপ্টোস্পোরাঙ্গিয়েট ( পলিপোডিইডি ) এবং ইউস্পোরাঙ্গিয়েট ফার্ন উভয়ের সমন্বয়ে, হর্সটেল , হুইস্ক ফার্ন , ম্যারাটিয়েড ফার্ন এবং ওফিওগ্লোসয়েড ফার্ন সহ পরবর্তী গ্রুপ ।
47.মস্তিঙ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ
a.স্নায়ুতন্ত্রের
b.পরিপাকতন্ত্রের
c.রেচনতন্ত্রের
d.শ্বসনতন্ত্রের
মানব মস্তিষ্ক মানব স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্রীয় অঙ্গ । এটি সুষুম্নাকাণ্ডের সাথে মিলে মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র গঠন করেছে।
48.কোনটি প্রাথমিক খাদ্য উৎপাদক?
a.মানুষ
b.উদ্ভিদ
c.সবুজ উদ্ভিদ
d.প্রাণী
সূর্যের আলোক শক্তি বা রাসায়নিক শক্তিকে জৈবশক্তিতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম যে কোন সবুজ উদ্ভিদ বা যে কোন আণুবীক্ষণিক জীবকে প্রাথমিক উৎপাদক বলা হয়। উদাহরণ: ফাইটোপ্লাঙ্কটন বা উদ্ভিদকণা, সবুজ উদ্ভিদ ইত্যাদি। এরা খাদ্য শৃঙ্খলের প্রথম স্তরে অবস্থান করে এবং এর উপর ভিত্তিকরেই খাদ্য শৃঙ্খলের উপরের ধাপসমূহ গড়ে উঠে এবং টিকে থাকে। সকল স্তরের খাদকরা (যারা সূর্যের আলোক শক্তি বা রাসায়নিক শক্তিকে জৈবশক্তিতে রূপান্তরিত করতে অক্ষম অর্থাৎ এরা নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারেনা) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রাথমিক উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল।
49.উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে কোনটির জন্য?
a.বায়ুদূষণ
b.পানিদূষণ
c.মাটিদূষণ
d.শব্দদূষণ
শব্দদূষণ বলতে মানুষের বা কোনো প্রাণীর শ্রুতিসীমা অতিক্রমকারী কোনো শব্দ সৃষ্টির কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে বোঝায়। যানজট, কলকারখানা থেকে দূষণ সৃষ্টিকারী এরকম তীব্র শব্দের উৎপত্তি হয়। মানুষ সাধারণত ২০-২০,০০০ হার্জের কম বা বেশি শব্দ শুনতে পায় না। এই শব্দ দূষণের ফলে উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে।
50.কোন গ্যাসটি ওজোন গ্যাসকে ভাঙতে সাহায্য করে?
a.হাইড্রোজের সালফাইড
b.ক্লোরিন
c.ব্রোমিন
d.ফ্লোরিন
ক্লোরিন এক রাসায়নিক মৌল যার প্রতীক Cl এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১৭। পর্যায় সারণিতে এর অবস্থান হ্যালোজেন পরমাণু ফ্লোরিন আর ব্রোমিনের মাঝে, এবং বৈশিষ্ট্যেও ক্লোরিন এদের মাঝামাঝি। ক্লোরিন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় হলুদ-সবুজ বর্ণের গ্যাস রূপে থাকে। এটি একটি খুবই শক্তিশালী জারক পদার্থ । এটি ওজোন গ্যাসকে ভাঙতে সাহায্য করে।
51.নিউরন কোন ধরনের টিস্যু?
a.রুপান্তরিত আবরণী টিস্যু
b.তন্তুময় যোজক টিস্যু
c.কঙ্কাল যোজক টিস্যু
d.পেশি টিস্যু
নিউরন হল স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একক এবং স্নায়বিক কলার মৌলিক একক। নিউরন এক ধরনের টিস্যু রুপান্তরিত আবরণী টিস্যু। তারা উদ্দীপনা সংবেদন, জীবের বিভিন্ন অংশ থেকে সংকেত প্রেরণের জন্য দায়ী। নিউরন ছাড়াও, গ্লিয়াল কোষ নামে পরিচিত বিশেষ কোষগুলি স্নায়ু কোষকে এই কাজে সাহায্য করে।
52.Natural history বিশ্বকোষে প্রানিবিজ্ঞানের প্রায় সব শাখার ওপর আলোকপাত করেন কে?